প্রাইভেটকারে ৫ কোটি টাকার ইয়াবাসহ স্বা’মী-স্ত্রী আ’টক” বিস্তারিত ভিতরে!

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনীর রামপুরে ১ লাখ ৭ হাজার ৭শ পিস ইয়াবাসহ তিনজনকে আ’টক করেছে র‌্যা’ব। সোমবার বিকেলে মহাসড়কের ফেনীর রামপুর রাস্তার মাথা থেকে তাদেরকে আ’টক করা হয়।

র‌্যা’ব জানায়, গো’পন সংবাদের ভিত্তিতে মহাসড়কের রামপুর রাস্তার মাথায় স’ন্দে’হভাজন পরিবহনে তল্লা’শি চালায় র‌্যা’ব সদস্যরা।

এ সময় ঢাকাগামী একটি প্রাইভেটকার তল্লা’শি করে লাগেজ ও বস্তা মোড়ানো অবস্থায় ১ লাখ ৭ হাজার ৭শ পিস ইয়াবা উ’দ্ধার করা হয়। পা’চারের ঘ’টনায় জড়িত স’ন্দে’হে প্রাইভেটকারে থাকা ওবায়দুর রহমান ও তার স্ত্রী ববি আক্তার এবং মোহাম্ম’দ কাইফ নামের তিন ব্যক্তিকে আ’টক করা হয়।

আ’টক ওবায়দুর রহমান গাইবান্ধা জে’লার গোবিন্দগঞ্জ থানার মৃ’ত দেলোয়ার হোসেনের ছেলে। ববি আক্তার তার স্ত্রী ও কায়েফ কক্সবাজারের নোমানীয়া চরা এলাকার মৃ’ত হোসেন আহম্ম’দের ছেলে।

ফেনীস্থ র‌্যা’ব-৭ এর কোম্পানি কমান্ডার সহকারী পু’লিশ সুপার জুনায়েদ জাহেদী জানান, উ’দ্ধারকৃত ইয়াবার মূ’ল্য ৫ কোটি ৩৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এ ঘ’টনায় র‌্যা’ব সদস্য নজরুল ইসলাম বা’দী হয়ে ফেনী মডেল থানায় মা’দক আইনে মা’মলা দা’য়ের করেছেন।

ফেনী মডেল থানার পু’লিশ পরিদর্শক (ত’দন্ত) ওমর হায়দার জানান, তিন আ’সামিসহ জ’ব্দকৃত মালামাল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকি প্রক্রিয়া শেষ করে তাদেরকে আ’দালতের মাধ্যমে জে’ল হাজতে পাঠানো হবে।

বৃ’দ্ধ দাদীসহ একই পরিবারের ৬ বাংলাদেশীর লা’শ উ’দ্ধার, ব্যাপক চাঞ্চল্য

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে একটি বাড়ি থেকে একই পরিবারের ৬ বাংলাদেশির গু’লিবিদ্ধ লা’শ উ’দ্ধার করেছে পু’লিশ। প্রাথমিকভাবে পু’লিশ ধারণা করছে, পরিবারের দুই ছেলে অন্য সদস্যদের হ’ত্যা করে নিজেরাও আত্মহ’ত্যা করেছেন। তবে এখনো ঘ’টনার কারণ সম্প’র্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এই ঘ’টনায় কেবল টেক্সাস নয়, যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ছড়িয়ে থাকা প্রবাসীদের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে। সেইস’ঙ্গে তাদেরকে গভীর দুঃখ প্রকাশ করতে দেখা গেছে।

পু’লিশ বলছে, শনিবার কোনো একটি সময় এই হ’ত্যাকাণ্ড ও আত্মহ’ত্যার ঘ’টনাটি ঘটে থাকতে পারে। তবে ঘ’টনাটি সবাই জানতে পেরেছে সোমবার সকালে ঘুম ভাঙার পর।

নি’হতরা হলেন তাওহিদুল ইসলাম, তাঁর স্ত্রী আইরিন ইসলাম, তিন স’ন্তান তানভীর তাওহীদ, ফারবিন তাওহীদ এবং ফারহান তাওহীদ। এমনকি হ’ত্যাকাণ্ডের শি’কার হয়েছেন আইরিন ইসলামের বৃ’দ্ধা মা আলতাফুন নেসাও।

জানা যায়, টেক্সাসের ডালাসের অ্যালেন হোমে বসবাস করতেন বাংলাদেশি দম্পতি তাওহীদুল ইসলাম ও আইরিন ইসলাম। তাঁদের দুই ছেলে এবং এক মে’য়ে। আইরিন ইসলামের মা আলতাফুন নেসা বাংলাদেশ থেকে এসেছিলেন মে’য়ের কাছে থাকার জন্যে। দেশে ফেরার কথা থাকলেও, ক’রোনার কারণে আ’টকা পড়েছিলেন তিনি।

পু’লিশ মুখপাত্র সার্জেন্ট জন ফেল্টি বলেন, প্রা’প্ত ত’থ্য বলছে তাওহীদুল ইসলামের দুই ছেলে নিজেরা ঠিক করেছিলেন যে তারা আত্মহ’ত্যা করবেন। সেই স’ঙ্গে পুরো পরিবারকেও তারা মে’রে ফেলবেন। সে অনুযায়ী তারা এই হ’ত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে থাকতে পারেন।